লব্ধ কিছু শব্দের কাছে ঋণ থেকে গেল হে ব্রহ্ম

আমার হাতের কাছে হাত রেখে গেলে তুমি অন্ধকার একটি সিগারেট এসব বললে এবং কবিতা হয়ে গেল সে সব মস্তিষ্কের কোষে কোষে যে স্পঞ্জ আয়রণের কারখানা প্রতিদিন আদিবাসী যুবতীকে লাগিয়ে থাকে আমিও তাহার মত তাহাদের মত অচেনা অজানা কিছু লাগিয়েই রেখে দিয়েছি অনন্ত কন্ডোমে,বিবাহ বিশাল একটি বাড়ির মধ্যে অগণন লোক ঠাসাঠাসি করে সিঁড়ি দিয়ে উঠে যায় অনবরত ভাবের গভীরে ডুবে যায় বেশ্যাত্ব নিয়ে গভীর কেনাবেচায়,ডুবে যায় মদীয় ঈশ্বর ধনাঢ্য কফির কাফে,কালো বা বাদামি বা হলদে যে কেউ চিনির ক্ষেতে তখন দাস ছিল আর তখনই ভোর হল বলে মোরগ ডেকে ওঠে 'মার্ক্সবাদ সর্বশক্তিমান,কারণ ইহা বিজ্ঞান' ইত্যাদিতে ছুঁচোর কেত্তন ও পত্তন সহ তুমি বিবমিষা উদ্রেককারী একটি গান গাও -হাম দিল দে চুকে সনম-আমি আফিঙের যুদ্ধ দেখিনি বলে উৎপলকুমার বসুকে সাধুবাদ জানিয়ে সম্প্রতি কবিতার ভিতরে সেঁধিয়ে যেতে যেতে পেয়েছি পাতাল প্রবাহ-


কি জানি কিভাবে মরমিয়া হতে গেলে
কাজে লাগে বীর্য্য ধরে রাখা মা,
আমি সাধন-ভজন বুঝিনা বলে
সাদা চাদরের নীচে কখনো শুইওনি,
বাঁ হাতে কিছুই নিইনি তবু
আমাকেই চাদরে শোয়ানো হচ্ছে এখন;
এই গুলি বিনিময়ের মাধ্যমে গ্রামে
মফস্বলে আমি শুয়েই আছি, কোপাই
আজ রাত্রেও তুমি আসোনি এখনও
কে জানে কোন নাগরের সঙ্গে তোমার ভালবাসা,
আজকাল পাগল পাছায় কদম ফুল লাগিয়ে ঘুরে বেড়ায়-

আমি একদিন অন্য কিছু হয়ে যাব নির্ঘাত মানুষ নয়,মানুষীর প্রিয় পোশা হাঁস নয়,থিওসোফিক্যাল সোসাইটির আদলে কংগ্রেস করবো না কোনোদিন ট্রামে চাপা পড়বোনা একটি ধাঁধার মত আমি সীমাহীন জিজ্ঞাসা জাগাতে জাগাতে এই সব কবিতাকে চোরেদের হাতে ছেড়ে দিয়ে চুরি করে যাব অন্যের ক্ষেতে ক্ষেতে ধান বা পালং,আলুর সময়ে গুদাম জাত দ্রব্য সামগ্রির আন্তরিক আন্তর্জাতিকতায় বিশ্বাসী হয়ে ডাল ফোটাবো বিদেশে বিদেশে, শুয়োর যদি হই তবে শেষ দিনেও বলে যাব পড়োশীকে ভালবেসো বেয়াড়া তুফান গ্লাসে রেখে নিতান্ত দম পের শঁপান,বা গো মাংসের মত নির্ভয়ে যেও যাজ্ঞ্যবল্কীয় রীতি মেনে কোতল হতে পানিপথ নয় শুদ্র, শতপথ ব্রাহ্মণে অন্তত,
ততদিনে আমি তুলসীপাতাও যদি হতে পারি পারমিতা একদিন...

0 comments:

Post a Comment