আমি তো আছি তোর দহনে

আমার শহরখানি, বিষন্ন ভরা ল্যাম্পোস্ট,বটের নীচে চায়ের দোকান, ধোঁয়া ভরা চা খাওয়া...তোর বস্তি ঘরে হটাত শোনা পান্নালালকুটি বাবুর ছেঁড়া পুঁথি, হাওয়ায় ভাসে কলের গান,শহর ভ'রে ক্যানভাসারের বয়ে যাওয়া ক্লান্ত বোধসে সব ছিল যত প্রিয়, এখন এসব আর ছোঁবেনা।নগরের পুঁতি দালানের পাশে এখনো দাঁড়িয়ে প্রবীনঝাউ গাছ...তুমি যদি আসো দেখবে পালক ঝাপটিয়ে চলে উদাসীবালিহাঁসঘরের উঠোন ভেঙ্গে খোয়া ক্ষয়ে গেছে তবুতোমার স্মৃতিমাখা-নগরের বয়স পেরিয়েও তোমার জন্য আমার একা বসেথাকা।ছেড়েছিলে পর্ণ গৃহ, সন্ধ্যা সেঁজুতি;নিঃসঙ্গতা বয়ে বেড়ানোর যত অনুভুতিতোমাকে তাড়িয়েছে নগর থেকে নগরে;-যদি ঘুম না আসে তবে জোনাক বাতির উঠোনে,যদি আসিস, আকাশে তারার মালার আবীরেরাতের সুতো, নিসঙ্গতায় স্মৃতির জালবোনে,ঠিকই খুজে পাবি আমার মুখ,অচেনা মুখের ভিড়ে।তোর সাথে ঘোরা হয়নাই পদ্মা ব্রম্মপুত্র তিতাস…কাশবনে ফেরে কত প্রজাপতি,ঘাসের নিঃশ্বাস;সারা আকশ জুড়ে জ্বলে বর্ণীল যত নক্ষত্র দ্যুতি,দেখা হয়নাই, শুন্য কুটিরে সন্ধ্যাগাঁথা সেঁজুতি।তবুও রাত হলে তোকে দেখি, তুইও যদি তাকাস-হয়েছি তাই, চেয়েছিলি যেনো হই ঐ দূর আকাশ।।কোন দশকে নাই আমি, শতকেও না,স্মৃতিতে নাই আমি, বিস্মৃতিতেও নাচলিষ্ণু শুন্যতা সময়ের খাতায়,তোমার আঁচড় টানি চোখের পাতায়ভিতরে কেবলই পোকার আনাগোনা।।

0 comments:

Post a Comment