প্রেম করতে গিয়ে...

হাতের ঘড়ি ট্রানজিষ্টার হারকিউলিশ সাইকেলে,

ধুলোমলিন বিছানাপাটি, শিয়র থাকে বাইবেলে।

সুতির সাদা ফতুয়া জামা, চার-পাঁচটা টিউশানি,

মনমাতানো সন্ধ্যেবেলা, সোম-বিষ্যুদ আর শনি।

অবাক করা ধুপের গন্ধ ঘরের ভেতর চারকোনা,

হাতের উপর গালটি রেখে লিখেই চলো তালকানা।

কারোর দুচোখ তোমায় রাখা, মুখের উপর ইতিহাস

গলার কাছে আটকে কথা, বুকের ভেতর হচ্ছে চাষ।

তোমায় ক’দিন টাচ করেছি টেবিলতলে পরিস্কার,

তর্জনীটায় করলে তুমি কপাল বুকে নমস্কার!!!

কোনদিন যে মন দাওনি আমার এসব সিগন্যালে,

চাপদাড়িতে ভাবতে তুমি আমায় কেবল স্যার বলে।

আমিও হাঁদা বলিনি তোমায় কারন আমার গুন জানি,

ট্রেনের থেকে কিনেওছিলাম “হাউ টু আর্ন সাম মানি”।

একদিন সেই সন্ধেবেলা যেদিন তোমার ঘর ফাঁকা,

সুযোগ আমি পেয়েছিলাম, সেদিন তুমি ঘোর একা।

তালাটা দিতে ভুলেছিলাম উৎসাহিত প্রেম রসে,

সেদিনও আর হয়নি বলা, সাইকেলচোরটার দোষে।

এমনি করে ঘুরতো যে দিন, মিনিটকাঁটা দুই দফা,

মাথার সিঁথি, বুকের ওড়না দেখেছি কতো একচোখা।

কি করে জানি ফেল করলে তুমিও দেখি সেই বছর,

শুনতে পেলুম তোমার দিকে আমার নাকি নেই নজর!!!

তোমার বাবা শেষ করলো আমার প্রেমের অংশটা,

‘হেব্বি ছিলো’ আজও বলি তোমার বিয়ের মাংসটা।

0 comments:

Post a Comment