ইতি ফেলুরাম

 
ত্রিকোনামিতির কসথিটা বাই ট্যান থিটা আর ফ্রক পড়ে আসেনা অনু, আমি হোলস্কয়ার ছুঁয়েও দেখেছি তোর ঠোঁট আরো নরম। 
 
এর পেটে ওর বাহু ঢুকিয়ে দেওয়া উপপাদ্যের দেহে রবি ঠাকুরও একটুকরো কবিতা নামাতে পারলেন কই? আমি সম্পাদ্যের বৃত্তকে অনেক কষ্টে দুই ভাগ করতে শিখেছি অনু, উত্তর না মিললেও তোর চোখের তারা কোনো কম্পাসেই গোল হবে না জানি। 
 
কবিদের পাটিগনিতে কখনো সখনো সুদকষা খুঁড়ে কেঁচো চাষ হতে পারে জানিস? এইটের প্রশ্নমালা জুড়ে প্রতিটা অঙ্কই সযত্নে উই পোকার তলপেটে সঞ্চিত তাই আমার অঙ্কের উত্তরেও পদ্যুত -বাবু দুটি অন্তঃসার শূন্য উপহার দিতেন,
আমি জানি শূন্য মানেই নিজের মত করে আকৃতি বসিয়ে নেওয়ার স্বাধীনতা । 
 
ভাগ্যিস বার বার অঙ্কে ফেল করেছি, না হলে তোর প্রেম কে এক্স ধরে ল্যাজা মুড়ো ফ্যাক্টর এত বার ছিন্ন করত যে কেশি নাগও সহজ পাঠের দ্বীতীয় সংস্করণের কথা ভাবতেন।
নিমাই স্যার বলেছিলেন আমি অঙ্কে কোনোদিন পাশ করতে পারব না
ইচ্ছে হল বলি-"স্যার যোগ বিয়োগটুকুও কেমন করে ভুলতে পারি?"
তুই বল তেরোর নামতা মুখস্ত রেখে কে কবে মহান প্রেমিক হতে পেরেছে?

0 comments:

Post a Comment