সস্তা জীবনের গল্প


এইসব সময়ে রাস্তার দৈর্ঘ্যে ছোঁয়ানো আংগুলের ধুসর আবেগী অসুখ করে। আমাদের কত ফুটপাথে সেরে ফেলা জীবনের গল্প! ইশ! এইগুলো কখনোও স্টিভেন স্পিলবার্গ কিংবা টমাস হার্ডির মোটিভেশনাল গল্প হয়ে লাইমলাইটে আসবে না। থাকবে না নক্ষত্রের ফিউসানে আটা ভরত্রুটির রিলেটিভিটি।

হয়তো আমাদের ফুটপাথে কয় লক্ষ বছর ধরে কিছু একটার অভাব জমে আছে। এপ্রিলের মলাটে বৃষ্টির জলের মত। হোস্টেল জীবনে আমরা বা হাতের নিচে ছারপোকা পিষে মেরে ফেলে দিয়ে ছারপোকার মত বেঁচে থাকি। যথাযত নিরুদ্দেশ হয়ে চার পাঁচ বছর। তারপর আমরা চিরাচরিত যন্ত্র হয়ে বেঁচে থাকা সত্তায় হৃদপিন্ডের সিউডো পর্যায়বৃত্ত আন্দোলন। বছর কুড়ির বছরের হিসেবে আমাদের থাকে কিছু হাস্যকর মুখের জলছবি। হাসিখুশি মুহুর্তে বন্দি পড়া সময়ের আলোকীয় অপবর্তন। অথচ সবকিছুর মাঝে কি যেন একটা নাই নাই। ভোরের ওঠা সূর্যটার অস্তমিত হওয়া সন্ধ্যার পরে কি যেন একটা দুপুরের রোদে হারিয়ে যাওয়া। কেমন যেন একটা হাহাকার রকমের ভরত্রুটিতে আটকানো ফিউসানের গল্প! মধ্যরাত্তিরে বারান্দার দেয়ালের উপরটায় বসে অত:পর আমরা জীবনের হিসেব নিকেশ মিটাই।
.
কি সস্তা একটা জীবন! দু আংগুলে ফুটপাথে সেরে ফেলা।

0 comments:

Post a Comment