তোমার বেদনাটা আমার চিরচেনা

কিছুই দেখবনা,
এই চিরচেনা দৃশ্যবলি
ঝুল বারান্দার টবে ফুলের কোলাহল,
সুপারি গাছের সারির বুকের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা
কৃষ্ণচূড়ার সবুজ মায়া,
ইলেক্ট্রিকের তারে ডিগবাজি খাওয়া
ঝুলে থাকা তিনটে ফিঙ্গে,
ক'টি কাক উড়ে উড়ে আসে, যায় ,
ঝুল বারান্দার রেলিঙে বসে;




কিছুই দেখবনা,
দেখবনা আর পাশের বাড়ির ছাদ,
একটি শালিক আমার খুব বন্ধু
রোজ বসে পাশের বাড়ির কার্নিশে,
কোনোদিন না এলে কষ্ট হয়;
তাকেও দেখবোনা,
রোজ বিকেলের মত
সারাদিন নিঃসঙ্গ বারান্দায়
শুধুই নির্জীব বসে থাকা।

শরতের তীব্র নীল আকাশময়
শুভ্র মেঘপরীদের নেচে নেচে যাওয়া ,
কিশোরের লাল ও সাদা ঘুড়ির প্রখর শত্রুতা
যেসব বালকের কোলাহলের আয়নায়
নিমেষেই নস্টালজিক শৈশবের মুখ ভেসে ওঠে।

আটপৌরে জীবনের সমস্ত বিষন্নতা কোলে করে
ঘরে ফেরা কর্মজিবীর দল
এঁচোড়েপাকা কিশোরের
বিড়িটানা বখাটে রৈ রৈ হল্লা
এ শহরের এই পরিচিত ছুটে চলা
ফিরেও দেখবনা;

মন ভালো নেই আজ।। 



0 comments:

Post a Comment