ভালোলাগাগুলো

ফেরার সময় বাসে  জানলার ধারের সিট না হলে আমার চলে না।
জানলার ধারের সাথে বিকেলরোদ  গুলো কেমন যেন অন্যমনস্ক থাকে।ঠিক যেন অন্ত্যমিল দিয়ে মেলানো।

পাশের রাস্তায় অন্য রুটের গল্প নিয়ে অন্য বাস গুলো চলে যাচ্ছে।

হাওয়াও বেশ অবুঝ।মাঝে মাঝে কয়েক লাইন আসে।তখন ওই বিকেল টাকেই কাগজ কলম বানিয়ে নি।এই ধরা যাক আধপাতা বিকেল,রোদ ,আকাশ ভেবে কখনো পাখি বসাই  আবার কখনো বিকল্প ভাবলে ঘুড়ি বা ওড়ার ছল।

পছন্দ না হলে কাটতে হয় মনে মনে।

কখনো ভিড় তুলে নিয়ে সরিয়ে রাখি রাস্তাগুলো তখন উত্তর কলকাতার গলি হয়ে যায়।আবার কিছু রোদ কম হলে তখন ধরে নিতে হয়।বাহানাগুলোকে মনে মনে বসিয়ে দিই দুটো বাসস্টান্ডের মাঝে ফলে বাস পৌঁছোতে কিছুটা দেরী হয় আর আমি আরো বেশি করে বাইরেটা দেখার অজুহাত পেয়ে যাই।

প্রতিদিন বাসের টিকেট জমাই,কিছু কবিতা হয়ত হারিয়ে যায় কিন্তু রোজ যখন বাড়ি ফিরে টিকেটগুলো গুছিয়ে রাখি তখন চোখের নাগালে  জানলার ধারের  ফুরসতটুকু  পেয়ে যাই,নাগরিক ক্লান্তি অনেক রুটের পেছনে পরে থাকে, ভালোলাগাগুলো sqaure
রুট(root ) এ  বেড়ে যায়।

0 comments:

Post a Comment