ফেরারী গল্পেরা




তোমার সেই উজ্জ্বল অপরূপ মুখ। দ্যাখো, দ্যাখো , কেমন নীল এই আকাশ, আর তোমার চোখে কাঁপছে কত আকাশ, কত মৃত্যু, কত নতুন জন্ম...কেমন করে বলি? 

আমি যাকে কষ্ট বলেছি, তুমি তাকে কল্পিত বোলোনা। কল্পিত কষ্টের চুড়া কখনোই এতটা আকাশ ছুঁতে পারে না। যতটা দীর্ঘ্য হবে হিমালয়,  ছুঁয়ে ফেলে আমার ভেতরে জমা কষ্ট নিষাদ। 
তবুও বলি, ভালোবাসা পেলে সব লন্ডভন্ড করে চলে যাবো। যে দিকে দুচোখ যায়...যেতে তার খুশি লাগে খুব। ভালোবাসা পেলে কেন আমি পায়েসান্ন খাবো? যা খায় গরীবে, তাই খাবো বহুদিন যত্ন করে। 
আমি ফিরে যাব আমার মায়ের কাছে, সেই ছোট্ট পিঁড়িটার কাছে। অনেক অযত্ন অবহেলায় পড়ে আছে সে। আমি ফিরে যাবো সেই ছোট্ট থালার কাছে। বহুদিন ভাত বাড়া হয় না তাতে। সেই ছোট্ট গেলাস'টাও ফিরে গেছে কাউকে ফিরে না পেয়ে। আমি জানিনা, উঠোনের সেই চাঁপা গাছটা আজোও ফুল ফোটায় কি না, আমার জানা নেই, আমার খুব জানতে ইছে করে সেই রূপকথার ইতিহাস। শুয়োপোকা থেকে রাজহাঁসের শৈশব জানে কতটা সত্যি ছিল রূপকথা। 
চিলেকোঠারা আজোও জানে কৃষ্ণচুড়ার রঙ পালটে যাওয়ার ইতিহাস, চিলেকোঠার কোনায় কোনায় লেখা আছে দখিনা বাতাসের গতিপথ। 

আমার মনে পড়ে যায় অনেক কাজ বাকি থেকে গেল, অনেক কথা না-বলা থেকে গেল। হয়তো আর কখনোই বলা হবে না, তবু  বলতে ইচ্ছে করে, শুনতে ইচ্ছে করে, লিখতে ইচ্ছে করে সেই শুয়োপোকার গল্প, যার প্রজাপতি হতে ভীষন ভয়। আমি ভুলে যাই আমার অবকাশের  কথা, বুঝতে পারি অবকাশ নেই আমার, অভ্যেসে মিশে গেছিস তুই আমার। তারপর একদিন তুমি জানতে পারবে না বলা গল্পেরা খুঁজে নিয়েছে নতুন মোড়, পেছনে পড়ে রইলো পুরনো ঘরের সেই হাঁসি কান্নারা...একা এবং একা...।।


     style="display:block"
     data-ad-client="ca-pub-2221917604703020"
     data-ad-slot="3843650204"
     data-ad-format="auto">

0 comments:

Post a Comment