একবার খুব অমানুষ হবো, মানুষের মানে বুঝতে

কথার দাম যখন শুন্য... প্রথা ভাঙ্গার কথা শিখিয়েছিলি তুই প্রথম,  আজ শেখালি কথা ভাঙ্গার প্রথা।

ফড়িঙের মতো একটা জীবন যদি পাওয়া যেতো,
অনুভূমিক পাখায় ভর দিয়ে এদিক থেকে ওদিক ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াতাম।
“যে জীবন ফড়িঙের,দোয়েলের-মানুষের সাথে তার হয়নাকো দেখা” সত্যি কি তাই!
কেন আমি তবে মানুষ হোলাম?
বেনোজলে খড়কুটো হয়ে ভেসে গেলে একদিন হয়তো ঠিক সমুদ্রে মিশে যাওয়া যেতো।
যদিও সমুদ্র ভালো লাগেনা আমার। তবুও কোথাও তো যাওয়া হতো!

কতোদিন হয়ে গেলো, ভালো লাগা’র সাথে চলমান সময়ের দেখা-সাক্ষাৎ হয়না!
শুনেছি ভালো লাগা নাকি আপেক্ষিক, সময় তৈরী করে।
কিন্তু আমার এই ফড়িং হবার ইচ্ছেটা রাতদুপুরে জ্বালিয়ে মারছে।
আচ্ছা ইচ্ছে’দের জন্ম কেন হয়? উত্তরটা আজও জানা হলোনা।
একদিন অনেক অজানার সাথে জানা’দের দেখা হবে, সেদিন শুধু কাউকে আর বলতে পারবো না।অবাক লাগে, বিকীর্ণ এই জীবনটাকে বড়ো ভালোবাসি,
না-পাওয়াকে নিয়েও থাকতে ভালোবাসি
নিঃশ্বাসে শূন্যতাকে জড়িয়ে বাঁচতে ভালোবাসি।
ফড়িঙের মতো একটি জীবন পেলে হয়তো ভালোবাসা কাকে বলে বোঝা হতোনা
মানুষ নিজের কাছেই নিজে অচেনা, দু’ পায়ে হেঁটে চলে, এমনকি আকাশকেও ছুঁতে পারে
ভালোবাসাকে তাচ্ছিল্য করে হিসেবের সিন্দুকে কতো জমা হলো, সেসবেরও হিসেব রাখে।
আর ছয়টি পায়ে ফড়িং আকাশ ছোঁয়, দাঁড়াতে পারেনা,
তবুও কেন জানি মানুষ হয়ে থাকতে ইচ্ছে করেনা;
একবার খুব অমানুষ হবো, মানুষের মানে বুঝতে

0 comments:

Post a Comment