তিতাস আর আমার হারানো প্রিয় শৈশব

এসো, হেমলক বিষের চা খেতে খেতে; বিষন্নতার গল্প করি।  মাঝে মাঝে দীর্ঘশ্বাস ফেলে; পুরনো স্মৃতির ভাঁজ খুলে; ব্যাবচ্ছেদ করি।

নারায়ণের ঘাটে গিয়েছি কতদিন
তবু আজও মনে হয়, আমি কি দেখেছি
তোমায় মাঝি, হে নারায়ণ, দেখেছি কি
কোনো জন্মে, তিতাস পাড়ে?

কত কৈশোরসন্ধে ও কুমারী সদৃশ ভোর
গোধূলিবিকেল আর
ঘরেফেরা পাখিসন্ধ্যায়
আমি হেঁটেছি, হেঁটে হেঁটে
চলে গেছি তিতাস হিজলছায়া মেখে...

আর অনেক অনেক রাতে সৌরজ্যোৎস্না
মেখেছি তিতাস হাওয়ায় আর গভীর
গভীর শুনেছি দূরগামী দাঁড়িদের
নিশি-জাগার শব্দ, পাখিডানার গান...

তবু, আজ, এই নির্ঘুম, শাহরিক রাতে
মনে হয়, তিতাস
দেখিনি আমি কোনোদিন
দেখিনি তিতাসছায়া, সেই নারায়ণ
মাঝিকে
কখনো দেখিনি আমি এই জন্মে,
দেখেছি কেবল নদীর শব আর রক্ত
আর ধূলিদীর্ণ এক নারায়ণ-মুখ।



2 comments:

  1. অনেকদিন পরে একটা ভালো ব্লগ পড়লাম। Let us get connected. ভুলভাল লেখা পড়ে পড়ে চোখ পচে গেছে। আপনার লেখা কঝুব খুব ভালো লাগল। যযাতির ঝুলি পড়বেন। আসা করি আপনার ভালো লাগবে।

    ReplyDelete
    Replies
    1. অনেক ধন্যবাদ ভালো লাগার জন্য। সময় পেলে আপনার ব্লগে অবশ্যই ঘুরে আসবো। বুকমার্ক করে রাখলাম।

      Delete