বড় সামান্য অভিলাষ

তিলে তিলে তিলোত্তমা হচেছ ভ্যালান্টাইন এর সন্ধ্যাটা।  পোশাকি প্রেমের কবুতররা প্রেম নিবেদনে নিমগ্ন।  ভিক্ষাপাত্র হস্তে দণ্ডায়মান দেশের নবীন ভবিষ্যত।  সুন্দরীরা বেছে বেছে নিচ্ছে প্রেম। এটার ফিটিংস ঠিক হবে তো? দাদা এটা বেশিদিন লাস্টিং করবে তো? এই দ্যাখ না কালারটা আমাকে মানাবে তো? নিলামে চলছে প্রতিশ্রুতি পর্ব। হাভেলিতে ডিনার, মলে শপিং, জন্মদিনে ডায়মন্ড। জন্মদিনে ডায়মন্ড ১ জন্মদিনে ডায়মন্ড ২ ভীড়ে সবচেয়ে শেষ প্রান্ত থেকে উঠল একটা নীল পাঞ্জাবী পরা হাত। হ্যাঁ বলো কি প্রতিশ্রুতি তোমার? ............................................. প্রতিশ্রুতি তেমন কিছুই নেই শুধু একবার হাতে হাত রাখো। কথা দিলাম, ভরা বসন্তেও বানভাসী করবো তোমায়।

ছোট এক ডাকঘর,

                কিছু দিন কিছু রাত তাতে সঞ্চিত আছে

অপেক্ষা, অপেক্ষা

     কখন আমাকে কানায় কানায় পূর্ণ করে দিয়েছে,

     আমি নিজেই বুঝতে পারিনি!

আমি সমুদ্রের কথা লিখি।
অস্থির বালি আর শামুকের ব্যাকরণ...
সেইখানে কোনও হাইফেন
পড়েনি চোখে।

সাদা সিস্টারের অ্যাপ্রনে পালক রেখে আসি,
সোনাবউদির কথা এক্ষুনি মনে পড়ছে খুব...

যারা সান্ধ্যআসরে পাশে এসে বসেছিল

তাদের কথাও মনে পড়ছে খুব।

আমারও তো যাবার সময় হল

যেতে গিয়েও জানলার বাইরে হাত পাতি

আকাশে মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে

শেষ সময়ে দু’-এক ফোঁটা

                        হাতে কি পড়বে না?


0 comments:

Post a Comment