বিরহের উৎকৃষ্ট ঘাসফুল ভায়োলিন

দাঁড়কাকের ঠোঁটে করে আসা বিষণ্ণতাকে ছড়িয়ে দিন প্রিয়জনের ভালবাসার শঙ্খচিলের ডানায়। মাথার ভিতর ঘুরতে থাকা অ-অনুভূতিগুলো থমকে দাঁড়ায় ঘড়ির কাটাঁর প্রতি সময়।  মৃত্যুপথের পূর্ব কথায় লিখে যাওয়া কান্নার আওয়াজ হয়ত নীরব থাকে। আমার সমাধির সামনের কবরফলকে যেন মিথ্যে হাসির প্রলোভন থাকে।

আজ আবার হাতে পেলাম ধুতুরার আশ্চর্য চেরাগ। চোখে ছড়িয়ে দিল
তীর্যক আলোর প্রতিদান। এমনতর আলোয় আমি নিজেই পাঠ করতে
চেয়েছি আহত মুদ্রার নিরশ্রু গান, দীর্ঘ স্বরের অনুপ্রাস আর বিরহের
উৎকৃষ্ট ঘাসফুল ভায়োলিন। আমার বিপরীত চোখে এক অনাসক্ত বাদক
আর আমি ধুতুরা আলোয় আশ্চর্য জাদুমায়ার রুপালি গিট খুলি, আহা!
বন্ধন আমার নহে বলিয়াই কোনো বন্ধনকে ধরিয়া রাখতে পারি না।
আজ এমনই একটি শুনানি হলো যে বন্ধনে অনাসক্তি ও আনুগত্যের
পরিণাম এক।

গান যে করে সে আনন্দের দিক হইতে রাগিণীর দিকে যায়
গান যে শোনে সে রাগিণীর দিক হইতে আনন্দের দিকে যায়

তার মানে তুমি বলতে চাও বিরহই মৌলিক। আজ দেখতে পেয়েছি,
বাদকের চোখ বিপরীত পথের অভিমুখে…


0 comments:

Post a Comment