দুটি কবিতা

আজ রাতে যদি থামিয়ে দিস আসলেই সব লেন দেন, জীবনের ট্রেন ঝিক ঝিক ছুঁয়ে ফেলে প্ল্যাটফর্ম শেষ স্টেশানের; যদি ভাবিস আসলেই লিখে ফেলবি ডেথনোট, তীব্র বর্ষাপতন ও বায়ুচিত্রের সর্বশেষ সংকলন এবং তোর কিছু অপ্রাপ্তি… যদি ভাবিস আর কোথাও কিছু নেই বাকি, সব খেলা সব গল্প ফুরিয়ে সব পাখি ঘরে ফেরে যেমন ফিরে যাবি, তবে অনুরোধ  তোর ডেথনোটে শেষ স্টেশানের কোনো এক দেয়ালে কিংবা বর্ষাচিত্রের ভেতর আমাকে দায়ী করে লিখিস কিছু শব্দ,  পাখিডানা ভেঙে যাওয়া গান। আমার জন্যে না হয় একটা মানুষ আত্মহত্যা করে গেলো!

কাজরী মেঘ 

আকাশ থেকে অলীক জলের মতো
সন্ধে নামছে,
আর এক দগ্ধ কাঠ
আগুন হারিয়ে ওর দিকে চেয়ে
দূরে থাকে,

কথা বলতে ভয় হয় 
তবু ভালো লাগে বৃষ্টির মতো উড়ে আসা শাড়ির আঁচল।

অসময়ে দেখা যায় মেট্রোতে বই মুখে বসে তুই, 
তারপর সন্ধে হয় 

উড়ে যায় কাজরী মেঘ।


যবনিকা

একটা তারিখ মরে যাচ্ছে

দুহাতে রক্ত ছাপ
জলেদের ঘর বাড়ি

একা
একটা তারিখ মরে যাচ্ছে;

পৃথিবীর সব ফোন বেজে যায়
কেউ সে রাতে ফোন তোলে না
সব শুশ্রুষাকেন্দ্র লক আউট

একটা তারিখ

কয়েকটা আপ্রাণ লড়াই

হেরে যাচ্ছে

একটু আলো;

সময়ের সিরিঞ্জে ভরপুর নেশা
তবু অবশ হচ্ছে না প্রিয় ক্ষত।


তারপর ঠিক সন্ধ্যে এসে তারিখকে কোলে তুলে নেয়

নিথর কস বেয়ে অন্ধকার গড়িয়ে নামে


যবনিকায়।






0 comments:

Post a Comment